ইফতার ও সাহরিতে বেশি পানি পান করলে কি লাভ বেশি!
রমাদান মাসে ধর্মপ্রাণ সব মুসলিমরা রোজা পালন করেন। এ সময় সেহরি খাওয়ার পর সন্ধ্যায় মাগরিব পর্যন্ত না খেয়ে থাকতে হয়। সন্ধ্যায় খাবার গ্রহণের মাধ্যমে ইফতার করা হয়। সারাদিন না খেয়ে থাকার কারণে সন্ধ্যার পর থেকে অনেক বেশি খাবার খাওয়া হয় আমাদের।
👉এদিকে ঋতুগত কারণে এখন শীত নেই বললেই চলে। আবহাওয়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তপ্ত হয়ে উঠছে। তাই দিনে যেন পানি তৃষ্ণা না পায়, পানিশূন্যতার সমস্যা দেখা না দেয়―তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত বেশি বেশি পানি পান করা হয়। সুস্থ থাকতে পানির গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু রমজানে কীভাবে বা কতটুকু পানি পান করতে হবে, তা অনেকেই জানেন না।
👉চিকিৎসক জানিয়েছেন, একজন মানুষের ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত কমপক্ষে দুই লিটার বিশুদ্ধ, নিরাপদ পানি পানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। ইফতারের পর থেকে সেহরির আগ পর্যন্ত ৩০-৪০ মিনিট পরপর এক থেকে দেড় লিটার পরিমাণ পানি পান করা উচিত। তারাবিহ নামাজ পড়ার সময় পাশে বোতলে পানি রাখতে পারেন। নামাজের আগে ও পরে পানি পানের মাধ্যমে মোট পানি পানের পরিমাণ পূর্ণ করতে পারেন।
🍊🍋রোজা থাকলে শরীর হাইড্রেটেড রাখতে, ত্বক বিবর্ণ বা মলিন না হয় যেন, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা না হয় এবং গ্যাসস্ট্রিক-অ্যাসিডিটি যেন না হয়, এ জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পানি ছাড়া অন্যসব তরল জাতীয় পানীয়ও পান করতে পারেন। যেমন ডাবের পানি, লেবুর শরবত ও মৌসুমি রকমারি ফলের রস পানে পুষ্টি পাওয়া যায়। আবার কেউ চাইলে দুধও পান করতে পারেন। দুধে প্রোটিন ও ফ্যাট রয়েছে। ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামসহ অন্যান্য খনিজ লবণের উৎস হিসেবে দুধের বিকল্প নেই।
🍹🍸এদিকে স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য রঙিন পানীয় এবং চা ও কফির, কোল্ড বা এনার্জি ড্রিংকস এর মতো পানীয় যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা ভালো। এসব পানীয় শরীরের পানি শূন্যতার ঘাটতি পূরণ করে না, বরং শরীরের ক্ষতি করে থাকে।
👪এছাড়া অল্প বয়সী বা শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা রোজা থাকলে তাদের দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে। তাদের ক্ষেত্রে ইফতার ও সেহরিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান নিশ্চিত করতে হবে। অতিরিক্ত গরম বা রান্নাঘরে, শারীরিক পরিশ্রমের ক্ষেত্রে প্রতি এক থেকে দুই ঘণ্টা পরপর ১০-১৫ মিনিটের জন্য ছায়া বা ঠান্ডা জায়গায় বিশ্রাম নেয়া উচিত। আবার সেহরিতে যদি কিছু না খেয়ে রোজা থাকার অভ্যাস থাকে, তাহলে সেহরিতে অন্তত পানি বা তরলজাতীয় কিছু খাওয়া উচিত। ফলে পানিশূন্যতার কোনো ঝুঁকি থাকবে না।
ইফতার থেকে সাহ্রি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান
👉হার্ভার্ড হেলথের মতো বিভিন্ন স্বীকৃত সূত্র বলে, এ রকম আবহাওয়ায় স্বাভাবিক গড়নের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের দিনে প্রায় তিন লিটার (১০০ আউন্স বা ১৩ কাপ) পানি পান করা উচিত। মেয়েদের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে এই পরিমাণ কম (৯ কাপ), কিন্তু রান্নাঘরের গরমে ঘেমে নেয়ে পানিশূন্যতা হতে দেরি লাগে না৷ ফলশ্রুতিতে দেখা দিতে পারে নানা ধরনের অসুস্থতা। ঘণ্টায় ঘণ্টায় মনে করে পানি পান করতে হবে। ইফতারের পর একটি পানির বোতল রাখা যায় নিজের কাছে সাহ্রি পর্যন্ত। এই হিসাবে ফলের রস, লেবু-পানি বা ডিটক্স ওয়াটার রাখলেও চা-কফি বা কার্বনেটেড পানীয় এর মধ্যে রাখা যাবে না।
ঠান্ডা পানিতে শাওয়ার নেওয়া
👉ঠান্ডা পানিতে শাওয়ার নিলে শরীর শীতল হবে অনায়াসে। মাথায় ৫-১০ মিনিট ধরে ঠান্ডা পানির ধারা দিলে আরাম হবে অনেকটা। তবে খুব গরম আবহাওয়ায় বাইরে থেকে এসে সরাসরি ঠান্ডা পানির শাওয়ার নেওয়া যাবে না, এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানিও ক্ষতিকর। গোসল করা সম্ভব না হলে ঠান্ডা পানিতে তোয়ালে নিংড়ে মুছে নিতে হবে মুখমণ্ডল, মাথা, কান, ঘাড় ও গলা। মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিলেও আরাম লাগবে।
আরো পুড়ুনঃ রমজান মাসে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কীভাবে ভালো রাখা যায়?
উপযুক্ত খাবার গ্রহণ
👉আমাদের সারা দিনের খাদ্যতালিকা শরীরে পানিশূন্যতা রুখতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয় থাকেই ইফতার ও সাহ্রিতে। এটি এ ক্ষেত্রে বেশ ক্ষতিকর। বরং রসাল ও মিষ্টি ফল রাখতে হবে খাদ্যতালিকায়। শুধু ভাজাপোড়া আর ভারী খাবার না খেয়ে কাঁচা সবজির সালাদ, স্যুপ, দই ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। লবণাক্ত স্ন্যাকস ও অতিরিক্ত প্রাণিজ আমিষ গ্রহণ করলেও শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়।
শীতের সময় কলা খাবো নাকি খাবো না ? কলার উপকারিতা।
পাইলস হওয়ার কারণ লক্ষণ ও উপসর্গ সমূহ এবং চিকিৎসা।
সর্দি কাশি ও ইনফ্লুয়েঞ্জা(Common cold and influenza)
ডেঙ্গুজ্বর কী ? প্রকার,লক্ষণ, এবংচিকিৎসা।
ম্যালেরিয়া কী ? প্রকারভেদ,লক্ষণ, এবং চিকিৎসা।
সাইনোসাইটিস কী?লক্ষণ,করণীয় এবং চিকিৎসা।
নিউমোনিয়া কী?লক্ষণ এবং চিকিৎসা।
চিকনগুনিয়া কি?লক্ষণ,কিভাবে ছড়ায়,প্রতিরোধিএবং চিকিৎসা।
শীর্ষ ১০ ধরনের ক্যানসারের আক্রমন হয় বাংলাদেশে।
হুপিং কাশি/ Pertussis কী,লক্ষণ,জটিলতা, এবং চিকিৎসা।
মাম্প্স কী,লক্ষণ / উপসর্গ,মাম্প্স হলে কী কী করণীয়/ ( হোম রেমেডি) এবং চিকিৎসা।
Tonsillitis/টনসিলাইটিস কি? কারণ, লক্ষণ,কী খাওয়া যাবে/যাবে না এবং চিকিৎসা।
করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) টিকার চতুর্থ ডোজ এবং করোনা মহামারির আতঙ্ক কমে গেলেও সংক্রমণ থেমে নেই।
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খাওয়ার পর যে কাজগুলো করবেন না ?
দুধ -আনারস একসাথে খেলে কি মানুষ মারা যায় ? জেনেনিন এর সঠিক উত্তর ।
পিরিয়ড চলাকালিন মেয়েরা যেসব কাজ থেকে বিরত থাকবেন ।
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ক্ষতি কী । এবং জেনে নিন ঘুম না হলে কী করবেন ?
রাতকানা রোগ কী ? রাতকানা রোগ কেন হয় ? এবং এর প্রতিকার ।
রক্তস্বল্পতা কি ? এর কারণ , লক্ষণ, চিহ্ন, চিকিৎসা এবং উপদেশ ?
কান পাকা রোগ কেন হয় এর কারণ,লক্ষণ,চিহ্ন এবং চিকিৎসা
কনজাংটিভাইটিস বা ( চোখ উঠা ) কি ? এর কারণ , লক্ষণ/চিহ্ন , চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ ।
NOTE: সকল ঔষধ রেজিষ্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করুন ।